Home / জীবনযাপন / দুষ্কৃতিকারী অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি

দুষ্কৃতিকারী অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করে, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত করা এবং আমাদের হৃদয়ে সেই আদর্শের পূর্ণ লালন-পালনের মানসিকতা তৈরি করার লক্ষ্যে, দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার “ডিজিটাল বাংলাদেশ” বাস্তবায়নে জননেত্রীর হাতকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এবং আগামী রাষ্ট্রনায়ক সজিব ওয়াজেদ জয়ের, তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই বিষয়গুলোকে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য করে আমার পরিকল্পনার ফসলের সংগঠন “সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ “এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী সামাজিক সংগঠন ও আত্ম মানবতার পাশে দাঁড়ানো মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ আমার মূল লক্ষ্য। আমি যখন আমার মূল লক্ষ্য মানবিক জনগণের জন্য কল্যাণমুখী উদ্দেশ্য নিয়ে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছি, আমাদের পিছনে একটি চক্র বাঁধা, ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার,চালিয়ে যাচ্ছে , কিন্তু যে বিষয়টি নিয়ে উনারা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন সেই বিষয়ে আমাদের সংগঠনের প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য তাদের জানা প্রয়োজন মনে করে নিম্নে তাহার বর্ননা দেয়া হলঃ

* ১৯/০৫/২০১৯ সালে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট এর কাছে আমাদের সংগঠনের অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়া হয় যাহার স্মারক নং-৪৬০ এবং ৩০/০৭/২০১৯ ইং তারিখে জননেত্রী অনুমোদন না দিয়ে বাতিল করে দেন।

* পরবর্তীতে আমরা ১৭/০৩/২০২০ ইং তারিখে আবার বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট এর কাছে অনুমোদনের জন্য আবেদন করি

আমরা সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ সামাজিক সংগঠন এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ও জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে,বঙ্গবন্ধুর বাংলার ভবিষ্যত কান্ডারী সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাত কে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছি।

আমারা সাংগঠনিকভাবে বাংলাদেশ ও বহিবিশ্বে বিশাল জনসমর্থন গড়ে তোলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে, আমাদের সহযোগী সহযোদ্ধা শুভাকাঙ্ক্ষীদের মনোবল এবং তাদের কাছে সব ষড়যন্ত্র সঠিকভাবে ধুলিস্যাৎ হবে ইনশাল্লাহ।

“সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ “এর শুরুলগ্ন থেকেই আমি “লায়ন মতিউর রহমান টিপু “ত্যাগী ভূমিকা নিয়ে সম্পৃক্ত রয়েছি কিন্তু আমি বরাবরই এই সংগঠনের জন্য নিবেদিত এবং প্রাণান্ত চেষ্টায় আছি যাতে এই সংগঠন গতিশীল, উদ্যোগী ও উদ্যমী হয়ে উঠে এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে জনগণের পাশে থেকে দুর্যোগ মুহূর্তে প্রস্তুত থাকতে পারি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভরসা ও আস্থার মাধ্যমে জনগণের পাশে থেকে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত পন্থায় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে পারি। কিন্তু সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ এর প্রতিষ্ঠার দিকে একটি পক্ষ যাদের সাংগঠনিক অদক্ষতা দুর্নীতি অনিয়ম সংগঠনের নিষ্প্রাণ গতিশীলতা আন্তরিকতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাথে অমিল কার্যকলাপ এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন প্রচারশূন্য করে শেখ হাসিনার ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং আগামীর রাষ্ট্রনায়ক সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিক নির্দেশনা অনুসারী “সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ” কে যখন বিতর্কিত করার পায়তারা লিপ্ত ছিল আমার অন্যান্য সহযোগী সহযোদ্ধারা ঠিক তখনই আমি সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ এর অস্তিত্ব রক্ষার দায়িত্ব হাতে নেই।

আজকে সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ আমাকে ষড়যন্ত্রমূলক মানহানি হয়রানি-গ্রেপ্তার এর মাধ্যমে আটক করে, ভুল মিথ্যা প্রমাণ করে আটকে রাখতে পারে নাই, কারন আমার কর্মকাণ্ড উদ্দেশ্য এবং এগিয়ে চলা ছিল সঠিক-শুদ্ধ এবং দেশ ও জনগণের জন্য কল্যাণমুখী আমাকে ভুল মিথ্যা প্রমাণের কোন সূত্র আজ পর্যন্ত তদন্ত সাপেক্ষে পাওয়া যায় নাই আমরা আমাদের দেশ-বিদেশের বিশাল কর্মী বাহিনী এবং সবার ভালোবাসা সমর্থন এবং দোয়া নিয়ে দুর্বার গতিতে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে এগিয়ে যাচ্ছি আমাদের আরও উজ্জ্বল আমাদের এই সাফল্য বিশাল কর্মী বাহিনী এবং দেশ-বিদেশে বিশাল জনসমর্থন শুভাকাঙ্ক্ষী এবং দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলা অস্তিত্বহীন একটা শ্রেণি ঈর্ষান্বিত হয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়ে মাঠে নেমেছে কারণ তাদের কলুষিত চরিত্র এমনি নিজে কারো মঙ্গল করে না জনগণের মঙ্গলের স্বাগতম জানেনা তাই দেশবাসী দেশের বাহিরে অবস্থানরত সকল প্রবাসী আমার সহযোগীরা সহযোদ্ধারা আমার শুভাকাঙ্খীরা আমার অনুসারীরা সকল সচেতন জনগণ এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সকল রাজনৈতিক নেতাদের নিকট অনুরোধ আমার সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে আমার মানবিক সৎ বাস্তবায়নের কথা বিবেচনা করে দুষ্কৃতিকারী অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু। জয় সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ জয় অব্যাহত থাকুক মানবতার জননী দেশরত্ন শেখ হাসিনার আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার পাশে আছি এবং মৃত্যু উপেক্ষা করে থাকব ইনশাল্লাহ

৫ই নভেম্বর 2018 তারিখে জয়েন স্টক থেকে অনুমোদন প্রাপ্ত হয়ে 11 তম জাতীয় নির্বাচনে সরাসরি সকল সংসদ সদস্য পাশে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ করছে। যেহেতু আমরা জয়েন্ট স্টক থেকে অনুমোদিত তাই সারা বাংলাদেশের সকল জেলা পর্যায়ের সভাপতি এবং সেক্রেটারি কে বাংলালিংকের রেজিস্টার সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ নামের সিম ব্যবহারের জন্য দিতে পেরেছি।

আমরা যদি অনুমোদিত নাই হতাম তাহলে বাংলালিঙ্ক কিভাবে আমাদেরকে সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ ফাউন্ডেশন নামে সিম প্রদান করল। সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ যখন দুর্বার গতিতে সাংগঠনিকভাবে সারা বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে ঠিক সেই সময় একটি অপশক্তি এটাকে নস্যাৎ ব্যবহৃত করা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিভ্রান্তি মূলক প্রচার-প্রচারণা করছে। এটি একটি প্রাণের সংগঠন তাই সকলের নিকট মানবিক আবেদন এই যে আপনারা দয়া করে সংগঠনের বিষয় এই নামে যে সংগঠন তাকে সম্মান দেওয়ার চেষ্টা করি।সম্মান না দিতে পারে কিন্তু ও যেন সমালোচনা না করি।

যেকোনো জিনিস করা খুব কঠিন ভাঙ্গা খুবই সহজ। ডেঙ্গু নিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ এর কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের নামে হয়েছে। তাহা একটি ষড়যন্ত্রের অংশ।

বাংলাদেশে অনেক সুশীল সমাজের লোক এবং বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ ডেঙ্গু মহামারী বলেছে এমন নজির শত শত আছে। কিন্তু বাংলাদেশে কাউকে আইনের আওতায় না নিয়েই শুধুমাত্র আমাদেরকেই নেয়া হলো। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আনীত মামলায় খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমরা জামিনের মাধ্যমে পুরা জাতিকে বুঝাতে পেরেছি আমরা এই সময়ের সবচেয়ে তারুণ্য ভিত্তিক, স্বচ্ছ এবং প্রগতিশীল সংগঠন ‌।

এই গ্রেফতারের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ ফ্যাশনের নামে 50 টা কারো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায় নাই। অথচ বিভিন্ন মিডিয়ায় কোনো কোনো গণমাধ্যম লেগেছে আমরা নাকি মাদক কারবারি এবং গডফাদার। তথ্য-উপাত্ত বিহীন যে কোন সংবাদ মানুষকে বিভ্রান্তি করে কিন্তু গোয়েন্দা তথ্যে যেটা পাওয়া গিয়েছে আমাদের নামে কোন ধরনের দুর্নীতি, অসচ্ছ, ও অন্যায় কোন বিষয় পাওয়া যায় নাই। তাই বর্তমান সময়ে আমরা এই সামাজিক সংগঠন সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

প্রতিটা মুহূর্তে সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ এর কর্মকাণ্ডের বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা দ্বারা নজরদারি হয়। ২০১৬ সালে সজীব ওয়াজেদ জয়ের 78 ভেরিফাইড গ্রুপে থেকে সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ নামে কোন সংগঠন নাই বলে বিবৃতি প্রদান করেন। সেই সময় কিছু অশিক্ষিত ব্যক্তি,এই নামটি কে ব্যবহার করে বঙ্গবন্ধু পরিবার এবং সজীব ওয়াজেদ জয় স্যারের ভাবমূর্তি নষ্ট করে আসছিল। কিন্তু আমাদের বর্তমানের সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ বাংলাদেশের যে কোন সংগঠনের থেকে একটু ভিন্ন মাত্রা স্বচ্ছ এবং সময়োপযোগী হিসাবে বাংলার মানুষকে প্রমাণ করতে পেরেছে। আমরা জামিনে মুক্তির মাধ্যমে জাতিকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছে বর্তমানে সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ একটি স্বচ্ছ ভিন্নধারা ব্যতিক্রমধর্মী সংগঠন।

তাই আমাদের সাংগঠনিক কর্মকান্ড বিবেচনা করলে এই সংগঠন নিয়ে কেউ মন্তব্য করা দুঃসাহস করবে না বলে আমি মনে করি।বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে ২০ বার জেল বরণ করেছেন। প্রত্যেকটা সংগঠনের স্বীকৃতির মূলে ত্যাগের অংশ থাকতে হয় তারই ধারাবাহিকতায় সরকার কর্তৃক আমরা গ্রেফতার হই। আশা করি এই ত্যাগের মাধ্যমেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অনুমোদন দেবেন।

তাই সকলের কাছে আহ্বান আপনারা এই প্রাণের সংগঠন কে কলুষিত না করে এটাকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একটি সামাজিক সংগঠন হিসাবে পৃথিবীর বুকে আত্মপ্রকাশ করার ক্ষেত্রে সকল মুজিব প্রেমিককে অনুরোধ করছি। দয়াকরে লাখো তরুণের আগামীর স্বপ্নকে ণস্যাৎ না করার বিষয়টি বিবেক থেকে গ্রহণ করবেন। আমাদের এই সংগঠন আমাদের নিকট একটা পবিত্র একটি মায়ের মত সংগঠন। সংগঠন নিয়ে মন্তব্য করলে লাখো তরুণের অন্তরে কষ্ট আসে। তাই আপনারা এই বিভ্রান্তি মূলক প্রচার-প্রচারণার থেকে দয়া করে দূরে থাকবেন।

লায়ন মতিউর রহমান টিপু

কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যানঃ সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ ফাউন্ডেশন।

About admin

Check Also

মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুর “পাটাভোগ ইউনিয়ন ফাউন্ডেশন” – আয়োজিত এান বিতরন কার্যক্রম।

মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুর শ্রীনগর উপজেলার “পাটাভোগ ইউনিয়ন ফাউন্ডেশন” – আয়োজিত এান সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম এ …

সাতক্ষীরায় দুঃস্থদের মাঝে অধ্যাপক মাকসুদ কামালের খাদ্য সহায়তা

অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বরাবরই রাস্ট্রের একজন সচেতন নাগরিক। তিনি শিক্ষাকতা ও পেশাদারিত্বের বাইরেও দেশ ও …

কি পরিমান ধৈর্য শক্তির প্রয়োজন ৩৮ তম দিন ধারাবাহিক কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া।

আজ ৩৮ তম দিন কি পরিমান ধৈর্য শক্তির প্রয়োজন ৩৮দিন ধারাবাহিক ভাবে কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *