Home / অর্থনীতি / দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র দূরীকরণে লায়ন খান এ জামান

দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র দূরীকরণে লায়ন খান এ জামান

বিভাগীয় মেট্রোপলিটন শহর খুলনা থেকে মাত্র ১২ কিঃমিঃ দূরে চারিদিকে নদীঘেরা ব-দ্বীপ আকারের ছায়াময় দিঘলিয়া উপজেলায় খান এ জামানের জন্ম। এখানেই জন্ম নেয়া ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী রসিক লাল দাস, অতুল সেনদের বীরত্বের গল্প শুনতে শুনতে তার বেড়ে ওঠা। বাংলাদেশের সোনালী আঁশ পাটের সবচেয়ে বড় ব্যবসাস্থল দৌলতপুরের কোলে দুরন্ত শৈশব-কৈশর কাটানো মানুষটি লেখাপড়া শেষ করে ব্যবসাতেই ঝুকেঁ পড়েছেন। গড়ে তুলেছেন খান এ জামান এন্ড কোম্পানী লিমিটেড। এই কোম্পানীর প্রধান কাজ মূলত বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর লোন রিকভারী করা।

সাক্ষাত্কার:
বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে দেশে দেশে শান্তির বারতা নিয়ে কাজ করে চলেছে আন্তর্জাতিক সেবা সংগঠন লায়ন্স ক্লাব। তিনি সেই ক্লাবের একজন কর্মী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। যা সত্য, তা স্পষ্ট করে বলেন। অবলীলায় বলেন। যার কথা বলছি। তার পুরো নাম লায়ন খান আকতারুজ্জামান। সবার কাছে তিনি লায়ন খান এ জামান নামেই পরিচিত।

দেশ-বিদেশের বিভিন্ন খ্যাতিমান ব্যাক্তিত্বদের সঙ্গে এই মানুষটির ফটোসেশন বলে দেয় তার গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে। কে নেই তার ফটোসেশনে?

সদা হাসি-খুশি, সদালাপি, সদাচারে বিশ্বাসী খান এ জামান একজন দক্ষ সংগঠক, সমাজসেবক, সংবাদপত্রসেবী এবং সফল ও নির্লোভ মানুষ হিসেবেও রয়েছে গ্রহণযোগ্যতা। এই ভালো মানুষটির একান্ত সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ডেইলিসময়২৪ এর নিউজ এডিটর মুশিফকুর রহমান।

বিভাগীয় মেট্রোপলিটন শহর খুলনা থেকে মাত্র ১২ কিঃমিঃ দূরে চারিদিকে নদীঘেরা ব-দ্বীপ আকারের ছায়াময় দিঘলিয়া উপজেলায় জামানের জন্ম। এখানেই জন্ম নেয়া ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী রসিক লাল দাস, অতুল সেনদের বীরত্বের গল্প শুনতে শুনতে তার বেড়ে ওঠা। বাংলাদেশের সোনালী আঁশ পাটের সবচেয়ে বড় ব্যবসাস্থল দৌলতপুরের কোলে দুরন্ত শৈশব-কৈশর কাটানো মানুষটি লেখাপড়া শেষ করে ব্যবসাতেই ঝুকেঁ পড়েছেন। গড়ে তুলেছেন খান এ জামান এন্ড কোম্পানী লিমিটেড। এই কোম্পানীর প্রধান কাজ মূলত বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর লোন রিকভারী করা।

ব্যবসা করেন প্রাণপনে। কিন্তু মন পড়ে থাকে মানুষের টানে। দেশ থেকে যেমন অন্ধত্ব দূরীকরণে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করে যাচ্ছে লায়ন্স ক্লাবগুলো। তিনিও তেমনি সমাজ থেকে অন্ধকার দূর করতে ছুটে চলেছেন নিরন্তর। তার কৃত্তি হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে বহু সংগঠনের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়েছেন। সংক্ষেপেও যদি তা লিখতে হয় -তাও বেশ লম্বা। মাত্র কয়েকটা তুলে দিচ্ছি সম্মানিত পাঠকদের জন্য-
আজীবন সদস্য, বাংলাদেশ লায়ন ফাউন্ডেশন, মেম্বর ২৭৭৮/০৮
প্যাটন সদস্য, বাংলাদেশ লায়ন ফাউন্ডেশন, মেম্বর ১৩৭/০৯
আজীবন সদস্য, লায়ন আই হসপিটাল, খুলনা- ২০১১ থেকে
আজীবন সদস্য, লায়ন্স ক্লাব ব্লাড ব্যাংক, ২০১২ থেকে
আজীবন সদস্য, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, ক্র:নং-৩৬১০১/০৯
সদস্য, বাংলা একাডেমী

এলাকার প্রতিও তার রয়েছে, জন্মদরদ। তাই জড়িয়ে আছেন খুলনা বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন সংগঠনের সাথে। এর মধ্যে রয়েছে-
সাবেক অফিস সেক্রেটারী, বৃহত্তর খুলনা সমিতি
নির্বাহী সদস্য, খুলনা জেলা সমিতি
আজীবন সদস্য, খুলনা শিশু ফাউন্ডেশন
আজীবন, উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী, খুলনা প্রভৃতি।

আমরা যে কত ভালো আছি তা হয়ত আমরা জানি-ই না, অর্থাৎ আমরা ভাবি যে জীবনে সব কিছুই আমাদের প্রাপ্য৷ যখন কিছু হারিয়ে যায় বা বার বার চেয়েও পাই না, তখন বুঝি যে তা কত মূল্যবান তার, তা বুঝতেই তিনি ছুটে চলেন দেশ থেকে বিদেশে। এরই মধ্যে শিক্ষামুলক, সাংগঠনিক ও ব্যবসায়িক কাজে ভারত, চীন, নেপাল, ভুটান, মিশর, আরব-আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, কানাডা, ইটালী, লন্ডন, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চারণের মতো ঘুরে বেড়িয়েছেন। সেখানকার মানুষের কাছে শিখতে চেয়েছেন ভালো থাকার উপায়, পাশের মানুষকে ভালো রাখার উপায়।

জীবন থেকে নেয়া সেই সব শিক্ষা থেকেই লায়ন্স ও লিও সদস্যরা যেমন দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র দূরীকরণে সরকারের পাশাপাশি নিজেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনিও আপ্রাণ চেষ্টা করছেন তা করতে।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথে মতো “যে খাঁটি লোক, যাহার মন সাদা, যাহার পৌরুষ আছে, সে বলে, ফলাফল-বিচার আমার হাতে নাই, আমি যাহা সত্য তাহা বলিব, লোকে বুঝুক আর না-ই বুঝুক, বিশ্বাস করুক আর না-ই করুক।” –

রাজনীতির কোন বিভক্তিতেই তিনি নিজেকে জড়াতে চান না। যা সত্য, তা স্পষ্ট করে বলেন। অবলীলায় বলেন, ′রাজনীতি ভালো লাগে না।′

শুরুতেই যেমন বলেছিলাম তিনি হাসি-খুশি, প্রাণোচ্ছল একজন। তারও ভালো লাগে মানুষের মুখে হাসি দেখলে। নিজের চেষ্টায় কারো মুখে হাসি ফুটলে। হাসতে হাসতেই তিনি বলেন, সকালে বাইরে যাওয়ার সময় রাস্তায় অপরিচিত কাউকে দেখে মিষ্টি করে হাসুন এবং তার অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকা উপভোগ করুন৷ কিছুক্ষণ পরেই যখন সে পাল্টা হাসবে, দেখবেন নিজের কাছে ভীষণ ভালো লাগবে৷ এই ভালো লাগার অনুভূতিটুকু সারাদিন সঙ্গে রাখুন, দেখবেন দিন ভালো কাটবে৷

About admin

Check Also

রাজশাহী গোদাগাড়ীতে পৃথক দুটি সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত – ২

  মিনাল ইসলাম,গোদাগাড়ী প্রতিনিধি: গোদাগাড়ীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩ …

গোদাগাড়ীতে জেলা প্রশাসককে বিদায়ী সংবর্ধনা দিল গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসন

  মিনাল ইসলাম,গোদাগাড়ী প্রতিনিধি: রাজশাহী জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদেরকে বিদায়ী সংবর্ধনা দিয়েছে গোদাগাড়ী উপজেলা …

একতাই পারে সমাজটাকে বদলাতে ও সুশৃঙ্খল রাখতে। একতা সেবা ফাউন্ডেশন।

  স্টাফ রিপোর্টারঃ   একতা সেবা ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কর্মসূচি পালন করে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *